গভীরে

해양공학 연안공학 - **Prompt:** "A highly advanced, futuristic remotely operated vehicle (ROV) with multiple sensors and...

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে ব্লু ইকোনমিই আমাদের ভবিষ্যৎ, তবে রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবেই এই কার্যক্রম এখনো শুধু পরিকল্পনায় আটকে আছে, বাস্তবায়ন হয়নি। জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে, যার মধ্যে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, বৃষ্টির অভাব, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ বেড়ে যাওয়া উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে, খুলনা, সাতক্ষীরা, বরগুনা এবং পটুয়াখালী অঞ্চলের মতো উপকূলীয় জেলাগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সমুদ্র ও উপকূলীয় প্রকৌশল এই সমস্যাগুলো মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশে সমুদ্র অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে, যা সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি এবং সামুদ্রিক পরিবেশ ও সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অধিকৃত জলসীমায় মৎস্য, সামুদ্রিক শৈবাল, ঝিনুক, চিংড়ি, কাঁকড়া এবং সি-গ্রাসসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক সম্পদের পাশাপাশি তেল-গ্যাস হাইড্রেটের মতো খনিজ সম্পদেরও সন্ধান পাওয়া গেছে। এই সম্পদগুলোকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে দক্ষ জনশক্তি এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন। বর্তমানে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ভাঙন রোধে ৬২৪ কোটি টাকার বেশি একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় উপকূলীয় এলাকায় সাইক্লোন শেল্টার, বাঁধ নির্মাণ এবং নদীভাঙন রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সমুদ্র ও উপকূল প্রকৌশল: ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ৮টি আধুনিক সমাধান

webmaster

সমুদ্রের গভীরে লুকানো সম্পদ: কী কী আছে আর কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে? বন্ধুরা, আপনারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন, আমাদের বিশাল সমুদ্রের ...